Participatory Democracy Will Not Materialise Without Participatory Economy: Yunus

Press Release (February 12, 2017)

Three Day National Women’s Parliament begins in Amaravati, India

Chandrababu Naidu, Chief Minister of Andha Pradesh, India and  Kodela Siva Prasad Rao, Speaker of State Legislative Assembly of Andhra Pradesh felicitating Nobel Laureate Professor Muhammad Yunus for his contributions to society  during the inaugural session of the three-day National Women’s Parliament (NWP), organized by Andhra Pradesh (AP) Legislative Assembly.  Photo: Collected

Nobel Laureate Professor Muhammad Yunus termed financial service as the oxygen of economic life of people. Bottom half of people,  particularly bottom  women, do not have access to this oxygen. That is why their economic life remains extremely weak. This oxygen remains for  exclusive used of  the privileged. He was speaking as a keynote speaker at the three-day National Women’s Parliament(NWP), being organised by Andhra Pradesh (AP) Legislative Assembly, India with the theme of ‘Empowering Women — Strengthening Democracy’, which began on Friday in the state capital of Amaravati.

 

About 12000 young women from all over India are participating in the conference. Professor Yunus said, ‘Ensuring participatory democracy is a fundamental goal. But we all should remember that participatory democracy is not feasible without participatory economy.   Economy that we have in the world today is certainly not a participatory  economy. Bottom half of the population hardly has any share in it. One percent of population of the world owns 99 percent of the global wealth. That does not sound very participatory.”

Nobel Laureate and spiritual leader Dalai Lama, Union Ministers M Venkaiah Naidu and P Ashok Gajapati Raju, AP Chief Minister N Chandrababu Naidu, Puducherry Lieutenant Governor Kiran Bedi, Gandhian Ela Bhatt, Speaker of Bangladesh Parliament Shirin Sharmin Chaudhury, actress Manisha Koirala and many other dignitaries attended the inaugural event of the conference.

The vision of NWP is to enable and encourage social, political and economic empowerment of women in all strata of the society. One of the objectives of NWP is to generate new ideas, concepts, theories and ideologies for women empowerment.

Amaravati, where the conference is being held is the planned capital city of the Indian state of Andhra Pradesh. It is located on the southern banks of the Krishna river in Guntur district. It becomes the new capital of Andhra Pradesh after a new state of Telangana is created out of Andhra Pradesh. 

Earlier Professor Yunus shared his personal experience in battling poverty in Bangladesh and abroad at a packed auditorium at the Indian Institute of Management-Bangalore (IIMB). He told one thousand plus audience consisted of students and faculty members, “All human beings are entrepreneurs. They are not born to work for someone else.” He called for getting out of the logic which created problems, and go back to the root and create new logical structure.  "If we keep on using the same old logic we'll get the same old  result", he said. He  proposed IIMB starting a ‘social MBA’ program to facilitate tackling social problems. On February 9th, 2017 Professor Yunus also gave a speech at St. Joseph’s Institute of Management (SJIM), Bangalore on the topic of ‘Social business model to solve human problem.’

Photo Caption: Nobel Laureate Professor Muhammad Yunus speaks at the Indian Institute of Management-Bangalore (IIMB), India on 9th February, 2017. Photo: Collected

Photo Caption 3: Nobel Laureate Professor Muhammad Yunus speaks at the  National Women’s Parliament (NWP), organized by Andhra Pradesh (AP) Legislative Assembly, addressing 12,000 participants, mainly women,  at the conference. Photo: Collected

 

------------------ END -----------------

 

প্রেস রিলিজ

অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র সম্ভব নয়: প্রফেসর ইউনূস
ভারতের অমরাবতীতে ৩ দিনের জাতীয় নারী পার্লামেন্ট শুরু

নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আর্থিক সেবাকে অর্থনৈতিক জীবনের অক্সিজেন বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, জনসংখ্যার নিচের অর্ধেক, বিশেষ করে নিচের দিকের মহিলারা এই অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত। আর এ কারণেই অর্থনৈতিক জীবনে তারা খুব দূর্বল থেকে যাচ্ছে। কিছু সুবিধাভোগী এই অক্সিজেন একচেটিয়াভাবে ভোগ করছে। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের রাজ্যসভা আয়োজিত জাতীয় নারী পার্লামেন্টের ৩ দিন ব্যাপী সম্মেলনে প্রদত্ত মূল সম্মেলন বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন। গত শুক্রবার অন্ধ্র প্রদেশের রাজধানী অমরাবতীতে “নারীর ক্ষমতায়ন - শক্তিশালী গণতন্ত্র” Empowering Women – Strengthening Democracy) শীর্ষক এই সম্মেলন শুরু হয়েছে।

ভারতের সকল রাজ্য থেকে প্রায় ১২ হাজার তরুণী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র নিশ্চিত করা সমাজের মৌলিক লক্ষ্যগুলোর একটি। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র সম্ভব নয়। আমরা যে অর্থনীতিতে বাস করছি তা কোনভাবেই অংশগ্রহণমূলক নয়। সমাজের নিচের অর্ধেক মানুষের এতে খুব সামান্যই অংশগ্রহণ রয়েছে। পৃথিবীর মাত্র ১ শতাংশ মানুষ এর ৯৯ শতাংশ সম্পদের মালিক। এটাকে কোনোভাবেই অংশগ্রহণমূলক বলা চলেনা।”

নোবেল লরিয়েট ও আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা, ইউনিয়ন মন্ত্রী এম ভেংকাইশ নাইডু ও পি অশোক গজপতি রাজু, অন্ধ্র প্রদেশের মূখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, পুডুচেরী লেফটেন্যান্ট গভর্ণর কিরণ বেদী, গান্ধীবাদী ইলা ভাট, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা এবং বিশিষ্ট আরো অনেক অতিথি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

জাতীয় নারী পার্লামেন্টের লক্ষ্য হলো সমাজের সকল স্তরে নারীদেরকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরো শক্তিশালী করা। নারীদের ক্ষমতায়িত করতে বিভিন্ন নতুন আইডিয়া, ধারণা, তত্ত্ব ও আদর্শ উদ্ভাবন করা এর অন্যতম লক্ষ্য।

সম্মেলনের অনুষ্ঠানস্থল অমরাবতী নগরী ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের পরিকল্পিতভাবে গড়া রাজধানী। এটি গুনতুর জেলায় কৃষ্ণ নদীর দক্ষিণ অববাহিকায় অবস্থিত। অন্ধ্র প্রদেশ থেকে তেলংগানা একটি নতুন রাজ্য হিসেবে আলাদা হয়ে যাবার পর অমরাবতী অন্ধ্র প্রদেশের নতুন রাজধানীতে পরিণত হয়।

ঐ দিনই প্রফেসর ইউনূস ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, ব্যাঙ্গালোর-এর জনাকীর্ণ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ও পৃথিবীর অন্যান্য জায়গায় দারিদ্র দূরীকরণে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। ছাত্র ও শিক্ষক নিয়ে এক হাজারেরও বেশী শ্রোতৃবর্গের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “প্রতিটি মানুষই জন্মগতভাবে একজন উদ্যোক্তা। অন্যের জন্য কাজ করতে পৃথিবীতে কেউ জন্মায় না।” তিনি যে-ধরনের যুক্তি থেকে এসব সমস্যার সৃষ্টি তা থেকে বেরিয়ে এসে সমস্যার মূলে প্রবেশ করতে ও নতুন যুক্তিকাঠামো তৈরী করতে সকলকে আহ্বান জানান। তিরি আরো বলেন, “আমরা যদি পুরোনো যুক্তি আঁকড়ে ধরে থাকি তাহলে আমরা একই পুরোনো ফলাফল বারবার পেতে থাকবো।” বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবেলায় সহায়তা করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, ব্যাঙ্গালোর-এর নিকট একটি “সামাজিক এমবিএ” কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তাব করেন। ফেব্রুয়ারী ৯, ২০১৭ প্রফেসর ইউনূস সেন্ট জোসেফ’স ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, ব্যাঙ্গালোরে “মানুষের সমস্যা সমাধানে সামাজিক ব্যবসা মডেল” বিষয়ক একটি বক্তৃতাও প্রদান করেন।

----------------

hard-extreme.com tellyseries